ঈদগাঁওতে উচ্ছেদ কালে চেয়ারম্যান-ব্যবসায়ী বাক বিতন্ডা

প্রকাশ: ১৭ মে, ২০১৭ ১১:৪১ : অপরাহ্ন

ঈদগাঁও বাজারে অবৈধ স্থাপনা ও ঝুপড়ি উচ্ছেদকালে জালালাবাদ চেয়ারম্যানের সাথে দোকানদারের তীব্র বাক বিতন্ডা হয়েছে। ১৭ মে দুপুর দেড়টা থেকে বাজারের বিভিন্ন মার্কেট ও অলিগলিতে এ যৌথ অভিযান চলে কয়েক ঘন্টাব্যাপী। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ১৭ মে বুধবার পূর্ব নির্ধারিত সময়ে জালালাবাদ চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান রাশেদের নেতৃত্বে ঈদগাঁও বাজারের জালালাবাদ ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত বাজার এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। এসময় যাতায়াতের সড়ক দখল করে বসানো দোকান উচ্ছেদ করে। অভিযানের প্রায় শেষ পর্যায়ে মাইজপাড়ার নাজির হোসেন সওদাগরের পুত্র এমতাজুল হকের আলমদিনা ফ্রুটের দোকানের কিছু অংশ উচ্ছেদ করতে গেলে বাঁধার মুখে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চেয়ারম্যান ঝুপড়ি মালামাল নিয়ে ফেলার জন্য বলে গেলেও দোকান মালিক তা না নেওয়ায় পরিষদের কয়েকজন চৌকিদার দোকান ভাঙ্গা শুরু করলে উভয়পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাক বিতন্ডা ও পরে ধস্তাধস্তিসহ মারামারির ঘটনা ঘটে। তবে এতে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এতে পুরো বাজার এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পরে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই মহিউদ্দীন ও স্থানীয় গণ্যমান্য মানুষের সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত হয়।

20170517_150700

অভিযান প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জালালাবাদ চেয়ারম্যান বলেন, আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিরসনে উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অভিযান চালানো হয়। চেয়ারম্যানের এমন ভাল উদ্যোগকে সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানালেও ভাসমান ও ব্যবসায়ী মহল দারুণ অসন্তুষ্ট হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন মুরব্বী বলেন, রাশেদ কাজটি ভাল করেনি। এসমস্ত কাজে তার ভবিষ্যত জনপ্রিয়তা হ্রাস পেতে পারে। অভিযানে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই মহিউদ্দীন, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আবু তাহের, সাইফুল হক, মোক্তার আহমদ, মোফাচ্ছেল, মনজুর, নুরুল আলমসহ পরিষদের চৌকিদার-দফাদাররা উপস্থিত ছিলেন।