ঈদগাঁওতে ফসলী জমিতে চাষাবাদ অনিশ্চতায়

প্রকাশ: ২ জুলাই, ২০১৯ ৮:০৫ : অপরাহ্ন

এম.আবু হেনা সাগর,নিজস্ব প্রতিবেদক,ঈদগাঁও

সদরের ঈদগাঁওতে হালফেলানী কাজকর্মে ব্যস্ত সময় পার করলেও কিছু কিছু জমিতে চাষাবাদ অনিশ্চতায় পড়েছেন কৃষককুল। জানা যায়,যথা সময়ে বৃষ্টি না হওয়ায় বৃহত্তর ঈদগাঁওর প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অসহায় কৃষকরা জমিতে হাল
ফেলানী কাজকর্মে নামতে না পারায় দুশ্চিন্তায় কপালে হাত দেওয়ার উপক্রম শুরু হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি বেশ কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষক সমাজ শুরু করে দিয়েছে তাদের কাঙ্খিত চাষাবাদ কার্যক্রম। ২রা জুলাই এমন চিত্র দেখা গেছে ঈদগাঁওর দরগাহ সড়কের পাশ্বর্বতী ধানী জমি এবং মহাসড়কের  মেহেরঘোনার চাষাবাদের জমিগুলোতে।
দেখা যায়,কেউবা করছে ট্রাক্টর দিয়ে জমিতে ধান রোপনের উপযোগী,কেউবা করছে ধানের বীজ রোপন। এভাবে কৃষকরা তাদের জমিগুলো তে দিনভর সময় দিয়ে যাচ্ছে।
আবার অনেক অনেক স্থানে চাষাবাদের জমিতে চলাবদ্বতার ফলে চাষাবাদ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এদিকে ঈদগাঁও মাইজপাড়া জুম বাড়ী জামে মসজিদের পার্শ্ববর্তী প্রায় অর্ধশতাধিক জমিতে পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। যাতে করে চাষাবাদ করতে না পারায় হতাশ হয়ে পড়েছেন চাষী ও কৃষকরা।
কজন কৃষক ফসলী জমিতে পানি জমে থাকলে করার কিছুই নেই বলে হতাশ কন্ঠে জানান।
হাফেজ নুরুল হক জানান,দীর্ঘ ৭/৮ বছর ধরে জলাবদ্বতার কারনে জমিগুলোতে তেমন চাষা বাদ না হলেও এ বছর হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
ইদ্রিসপুরের জসিম উদ্দিন চৌধুরী এ প্রতিবেদক কে জানান,বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৫০/৬০ কানি জমিতে চাষাবাদ করতে পারেনা কৃষকরা। জলাবদ্বতা ও বড় বড় পোকামাকড় থাকায়।