ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুঁড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১৩ মে, ২০১৯ ১১:৩১ : অপরাহ্ন

স্পোর্টস রিপোর্টার।। জিতলেই ফাইনাল—এই সমীকরণ সামনে রেখে ডাবলিনের ম্যালাহাইডে নেমেছিল বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুঁড়িয়ে সমীকরণটা সহজেই মিলিয়ে দিয়েছে বিশ্বকাপের আগে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা টাইগাররা। মোস্তাফিজুর রহমান ও মাশরাফি বিন মুর্তজার বিধ্বংসী বোলিংয়ের পর মুশফিকুর রহিম ও সৌম্য সরকারের হাফসেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ পেয়েছে ৫ উইকেটের জয়।

আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে এই ‍ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই খেলবে বাংলাদেশ। শুক্রবার শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে ডাবলিনেই মুখোমুখি হবে দল দুটি। এর আগে অবশ্য রবিন রাউন্ড লিগের ফিরতি খেলায় বুধবার মাশরাফিরা নামবে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।

বোলারদের দাপটে বাংলাদেশের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। ক্যারিবিয়ানদের ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে করা ২৪৭ রান কঠিন হতেও দেননি ব্যাটসম্যানরা। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সৌম্য টানা দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি পূরণ করার পর মুশফিকের ফিফটিতে ১৬ বল আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

এশিয়া কাপের পর আরেকটি ফাইনাল নিশ্চিত করেছে মাশরাফিরা। এখন পর্যন্ত কোনও ফাইনাল জিততে না পারার আক্ষেপ দূর করার জন্য আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজ হতে পারে বাংলাদেশের সবচেয়ে মোক্ষম জায়গা। বিশ্বকাপের আগে ট্রফি জিততে পারলে, সেটা ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসরে যে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়তে পারেননি মুশফিক। তবে ফাইনালে যাওয়ার পেছনে ব্যাট হাতে তার অবদানই সবচেয়ে বেশি। একটা সময় চাপে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশকে চমৎকার ব্যাটিংয়ে পথে ফিরিয়ে পূরণ করেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৩তম হাফসেঞ্চুরি। জয় থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থাকতে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ফিরে যান ৬৩ রান করে। কেমার রোচের বলে ড্যারেন ব্রাভোর হাতে ধরা পড়ার আগে ৭৩ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় করেন তিনি দলীয় সর্বোচ্চ রান।

তার আউটের পর বাকি কাজটা সেরেছেন মাহমুদউল্লাহ। ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথমবার ব্যাটিং নেমে ৩৪ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত ৩০ রানে নিশ্চিত করেছেন জয়। সাব্বির রহমান মাঠে নামলেও ব্যাট করার সুযোগ আর পেলেন কই! তিনি স্ট্রাইকে যাওয়ার আগেই তো জয় পেয়ে যায় বাংলাদেশ।