কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার- ২১ জন আসামী

প্রকাশ: ২৩ জুলাই, ২০১৯ ৯:২১ : অপরাহ্ন

কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ২১ জনকে আটক করেছে। গত ২২/০৭/২০১৯ ইং তারিখ হতে সকাল হতে ২৩/০৭/২০১৯ ইং তারিখ সকাল পর্যন্ত অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ ফরিদ উদ্দিন খন্দকার (পিপিএম) এর নেতৃতে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোঃ খায়রুজ্জামান পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস্ এ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং), মোঃ ইয়াছিন পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স) মোহাম্মদ আরিফ ইকবাল,এসআই দেলোয়ার,এসআই আবু বকর সিদ্দিক,এসআই কাঞ্চন দাশ,এসআই শেখ মোঃ সাইফুল,এসআই আবুল কালম,এসআই আনছারুল হক ,এসআই প্রদীপ চন্দ্র দে এসআই মোঃ জহিরুল ইসলাম এএসআই সঞ্জয়,এএসআই ইমাম,এএসআই আফসার,এএসআই লিটন মিয়া, সঙ্গীয় ফোর্স এবং ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান সহ কক্সবাজার সদর মডেল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২১ জন আসামীকে গ্রেফতার করেন কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন
কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং- ৬৮ ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়নন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) ১০ এর (ক) সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামী।
১। আয়েশা বেগম,স্বামী-সিরাজুল ইসলাম,সাং-পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া,০১ নং ওয়ার্ড,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং- ৬৯ ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়নন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) ১০ এর (ক) সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামী।
১। মোঃ ইসমাইল,পিতা-সৈয়দ উল্লাহ,সাং-দক্ষিন কলাতলী,০২ নং ওয়ার্ড,
কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং- ৭১ ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়নন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) ১০ এর (ক) সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামী।
১। নুরুল ইসলাম @ নুরুদ্দুজা,পিতা-মৃত ফকির মোহাম্মদ প্রঃ ফকির মাহমুদ,সাং-কুলার পাড়া,খুরুশকুল,বর্তমানে নয়াপাড়া,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
কক্সবাজার সদর থানার জিডি নং-৯৯৬ ধারা- ৫৪ ফৌঃকাঃসংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামী।
১।মোঃ হোসেন মাছু,পিতা-খুইল্যা মিয়া,সাং-নয়াপাড়া,থানা-টেকনাফ,জেলা-কক্সবাজার।
কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং- ৭৩ ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়নন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) ১০ এর (ক) সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামী।
১। ফারুক,পিতা-দুলাল,সাং-মুচ্ছামান্ডা,থানা-লৌহগঞ্জ,জেলা-মুন্সিগঞ্জ। বর্তমান-হাজী নাজির হোসেনের বাড়ীর ভারাটিয়া,ঈদগাঁও,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
২।লাম,পিতা-মনু মুল্লা,সাং-মুচ্ছামান্ডা,থানা-লৌহগঞ্জ,জেলা-মুন্সিগঞ্জ। বর্তমান-হাজী নাজির হোসেনের বাড়ীর ভারাটিয়া,ঈদগাঁও,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
৩।শাহাদাত,পিতা-কাশেম, সাং-মুচ্ছামান্ডা,থানা-লৌহগঞ্জ,জেলা-মুন্সিগঞ্জ। বর্তমান-হাজী নাজির হোসেনের বাড়ীর ভারাটিয়া,ঈদগাঁও,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
৪।আরিফ,পিতা-ওদবাতুল @ আলমগীর, সাং-মুচ্ছামান্ডা,থানা-লৌহগঞ্জ,জেলা-মুন্সিগঞ্জ। বর্তমান-হাজী নাজির হোসেনের বাড়ীর ভারাটিয়া,ঈদগাঁও,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
৫।কহির,পিতা-মৃত সেকান্দার, সাং-মুচ্ছামান্ডা,থানা-লৌহগঞ্জ,জেলা-মুন্সিগঞ্জ। বর্তমান-হাজী নাজির হোসেনের বাড়ীর ভারাটিয়া,ঈদগাঁও,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং- ১৭ ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়নন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) ১০ এর (গ)/৪০ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামী।
১।মোঃজোবায়ের খান,পিতা-আহম্মদ আলী,সাং-কুলগাঁও,থানা-পটিয়া,জেলা-চট্টগ্রাম।
২।মোঃ রাকিব,পিতা-মোঃ শফিকুর রহমান,সাং-উত্তর জলদি,০৫ নং ওয়ার্ড,থানা-বাঁশখালী,জেলা-চট্টগ্রাম।
কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং-৫৭ ধারা- ৩৯৯/৪০২ দঃবিঃ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামী।
১। হেফাজ উদ্দিন,পিতা-মৃত ফরিদুল আলম,সাং-আমান পাড়া,০১ নং ওয়ার্ড,থানা-চকরিয়া,জেলা-কক্সবাজার।
২।নুরুচ্ছাফা,পিতা-মোঃ সেলিম,সাং-দক্ষিন ঘোনার পাড়া,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
৩।মোঃ হানিফ,পিতা-মৃত আমির হোসাইন,সাং-পিটিআই স্কুল,দক্ষিন রুমালিয়াছড়া,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং-১১০ ধারা-৩৯৯/৪০২ দঃবিঃ
১।মোঃ আমানুল হক,পিতা-মোঃ রফিক,সাং-আউয়ার পাড়া,খুরুলিয়া ইউপি, থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
২।মোঃ নবাব মিয়া,পিতা-মৃত শামসুল আলম,সাং-কুলিয়া পাড়া,খুুরুলিয়া, থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং- ৭৪ ধারা-৪১৯/৪২০/৪০৬ দঃবিঃ
১।জেসমিন আক্তার,স্বামী-আমানুল হক,সাং- ডেইল পাড়া,খুরুশকুল,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
ওয়ারেন্ট সংক্রান্তে আসামী
১। আবু সোহেল আরমান,পিতা-আবুল খায়ের,সাং-শহীদ মঞ্জিল,দক্ষিন বাহারছড়া,১১ নং ওয়ার্ড,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
২।আরিফুজ্জামান,পিতা-খলিল আহমদ সিকদার,উত্তর মুহুরী পাড়া,লিংক রোড,ঝিলংজা,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
৩।মোঃ আহসান,পিতা-ডা. নুরুল ইসলাম,সাং-পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।
৪।সাইফুল ইসলাম,পিতা-আব্দুল আলীম,সাং-বাজার ঘাটা,থানা ও জেলা-কক্সবাজার।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ ফরিদ উদ্দিন খন্দকার (পিপিএম) তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে তাহাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এলাকার আম জনতা ও পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার নিশ্চিতের লক্ষ্যে মামলায় অভিযুক্ত ও চিহিৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।