গৃহকর্ত্রীর নির্যাতনে পালিয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে আশ্রয়

চকরিয়ার এতিম দুই বোনের কী হবে

প্রকাশ: ১১ জুলাই, ২০১৯ ১০:৩৭ : পূর্বাহ্ন

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া
চকরিয়া পৌরসভার ফুলতলা গ্রামের এতিম দুইবোন গৃহকর্ত্রীর অমানষিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন ঈদগাঁও পুলিশ ফাঁড়িতে। দুই বোন তানিয়া ও নিহা বাবা আবুল হাসেম মারা গেছেন অনেক আগে। ইত্যবচরে মা রাশিদা বেগম অন্যত্র বিয়ে করেছেন। সেই কারনে সমাজের অন্য দশজন শিশুর মতো তানিয়া নিহা আজ নাগরিক সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত। বঞ্চিত জন্মদাতা মা-বাবার আদর ¯েœহ থেকে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে দুই বোনকে কান্নাকাটি করা অবস্থায় পেয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ডে পেয়ে ঈদগাঁও পুলিশ হেফাজতে রাখে। তাদের ভাষ্য মতে বাবা হাসেম সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়ে মারা গেছেন। মা রাশিদা বেগম নতুন বিয়ে করে অন্য স্বামীর ঘরে চলে গেছেন।
কিছুদিন আগে এক নিকট আত্মীয় হতভাগ্য দুই বোনকে ঈদগাঁওস্থ একটি ফ্ল্যাট বাসার ভাড়াটিয়া রিনা আক্তার স্বামী ছলিম ( তার কাছে গৃহপরিচারিকা) হিসেবে রেখে যান। গৃহকর্তার ওই পরিচয় ছাড়া তাঁরা অন্য কিছুই চিনে না। তানিয়া ও নিহার দাবি, গৃহকর্তার বাড়িতে থাকার মহিলার (গৃহকত্রীর) নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মঙ্গলবার গোপনে পালিয়ে আসে।
ওইসময় ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ডে কান্নাকাটি করা অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে নিরাপদে পুলিশের কাছে নিয়ে যায়। তারা এখন পুলিশের হেফাজতে আছে। তারা পুলিশকে বলছে তাদের কোন আত্মীয় স্বজন নেই। আমাদেরকে এতিম খানায় দিয়ে দেন,আমরা লেখাপড়া করব।
এদিকে তাদের সঠিক পরিচয় জানা থাকলে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এর সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ সবার কাছে অনুরোধ করেছেন দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা। #