চকরিয়ায় শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ বির্নিমানে ১৩৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে উন্নয়নযঞ্জ

প্রকাশ: ২৯ জুলাই, ২০১৯ ১০:৪৮ : পূর্বাহ্ন

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া
চকরিয়া উপজেলার ১৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় থেকে শ্লিপখাতে বরাদ্দ বাবদ পাওয়া ৮৪লাখ ১৫ হাজার টাকার উন্নয়ন কর্মকা- ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। গত অর্থবছরে প্রাপ্ত এসব বরাদ্দের বিপরীতে বিদ্যালয়ের উন্নয়নমুলক কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা যে বিদ্যালয়ে ২শ, সেখানে ৫০ হাজার টাকা। যে বিদ্যালয়ে একহাজার শিক্ষার্থী, সেখানে ১লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রাথিমক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আকতার জানান, বরাদ্দ প্রাপ্ত সব টাকাই যথা নিয়মে বন্টন ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, ক্ষুদ্র মেরামত বাবদ ২০টি বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪০লক্ষ টাকা, প্রতি বিদ্যালয়ের জন্য ১লাখ ৫০হাজার টাকা করে দেওয়া হয় ২২টি বিদ্যালয়কে। বিদ্যালয় মেনেটেইন্যান্স বাবদ প্রতি বিদ্যালয়ের জন্য ৪০হাজার টাকা করে দেওয়া হয় ৬৪ বিদ্যালয়কে। প্রাক-প্রাথমিক শ্রেনীর উন্নয়নের জন্য প্রতিবদ্যালয়কে দেওয়া ১০ হাজার টাকা।
বেশিরভাগ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, বর্তমান শিক্ষা অফিসারের আমলে প্রধান শিক্ষকরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে হয়রানী মুক্ত বললে চলে, যেমন প্রধান শিক্ষকরা যখন সমন্বয় সভায় যেতেন তখন টিএ পেতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হতো, এমনকী অনেকে পেতেন না, কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থা ভিন্ন, ওসব টিএ বাবদ দেওয়া টাকা স-্বস্ব হিসাব নম্বরেই পৌছে দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে বই পরিবহনের টাকাও আগে ছয়-নয় হতো, উপবৃত্তি কন্টিজেন্সি বাবদ টাকাও ঠিকমত পাওয়া যেতোনা, বর্তমানে এসব টাকা সরাসরি প্রদান না করে প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সভাপতির নামে ব্যাংক হিসাবে দেওয়া হয়েছে।
বদরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ উদ্দিন জানান, আমাদের শিক্ষকতা জীবনে একজন সফল ও কর্মঠ শিক্ষা অফিসার পেলাম। বিদ্যালয়ে শতভাগ লেখাপড়া নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকা-ের ক্ষেত্রে শিক্ষকরা কোন ধরণের হয়রানী হোত তা তিনি চাননা।
প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতা মোহাম্মদ সেলিম জানান, চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষাখাতে বিগত অর্থবছরে পাঁচ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অথচ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অজুহাত দেখিয়ে পাঁচ টাকারও লোভ করেননি। যা আমরা অতীতে দেখিনি। এছাড়া বিগত ৩০ মার্চ ২০১৯ এর মধ্যে উপজেলা ও জেলার বাইরে অন্তত ১৩০ শিক্ষকের বদলী করা হয়েছে, যাদের কাছ থেকে তিনি একটি কানা কড়ির সুবিধাও নেননি। বলতে পারি, বর্তমান শিক্ষা অফিসার গুলশান আকতার কর্মদক্ষতার গুণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রসংশিত হয়েছে। #