চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ-৫

প্রকাশ: ১৭ জুলাই, ২০১৯ ৬:৪১ : অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম ডেস্ক।উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার গত বছরের চেয়ে কমেছে। তবে এই শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ বেড়েছে এক হাজার ২৪৭ জন।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১টায় সংবাদ সম্মেলন করে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাহবুব হাসান। ফলাফলে দেখা যায়, এবছর চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৬২.১৯ শতাংশ। যেখানে গত বছর পাসের হার ছিল ৬২.৭৩ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার শূণ্য দশমিক ৫২ শতাংশ কমেছে।

অন্যদিকে এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৮৬০ জন শিক্ষার্থী। যেখানে গত বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬১৩ জন। এবার বিজ্ঞানে পাসের হার ৮০ দশমিক ০৯ শতাংশ, ব্যবসায় ৬৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং মানবিকে ৪৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

মাহবুব হাসান বলেন, ‘এ বছর চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৯৮ হাজার ৯২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬১ হাজার ৫২৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মধ্যে মোট দুই হাজার ৮৬০ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবার নগরের বাইরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার কলেজগুলোর ফলাফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে। তাই এবার সম্মিলিত ফলাফল সামান্য খারাপ হয়েছে। এছাড়া এবার আইসিটি ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীরা খারাপ ফলাফল করেছে।’

প্রসঙ্গত, এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ৯৯ হাজার ৭৯৬। এর মধ্যে ৯৮ হাজার ৯২৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার মধ্যে ৬১ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। বিজ্ঞানে পাস করে ১৮ হাজার ১০১ জন, ব্যবসায় ১৮ হাজার ২৮০ জন এবং মানবিকে ২৫ হাজার ১৪২ জন।

উল্লেখ্য, এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন।

আটটি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরিসহ ১০টি শিক্ষা বোর্ড থেকে এ বছর ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৯ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৯ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন। আটটি সাধারণ বোর্ডে পাসের পার ৭১.৮৫ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১ হাজার ৮০৭ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৫৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই হাজার ২৪৩ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮২.৬২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ২৩৬ জন।

এইচএসসিতে গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৬.৬৪ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ২৬২ জন।