চৌফলদন্ডীতে নব নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মানে সীমাহীন অনিয়মঃ

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১১:১৮ : অপরাহ্ন

সংবাদদাতা।

কক্সবাজার সদর উপজেলার অন্তর্গত উপকুলীয় ইউনিয়ন চৌফলদন্ডী। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ বিশেষ করে জ্বলোস্বাস সাইক্লোন বা ঘুর্ণিঝড়ে প্রতিনিয়ত আতংকে থাকে উপকুলীয় এসব এলাকার মানুষ। ঝড় তুফানে পানি বন্দী ও গৃহহীন হয়ে দুর্বেতর জীবন কাঠানো যেন এসব এলাকার মানুষের ভাগ্যের লিখন।

এসব প্রাকৃতিক দূর্যোগের হাত থেকে নিজেদের জান মাল হেফাজতে রাখার জন্য সম্প্রতি জননেত্রী শেখ হাসিনা এই এলাকার মানুষের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের অাওতায় একটি অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন আশ্রয়কেন্দ্র বরাদ্ধ দেন।

কিন্তু সরকারী বরাদ্ধ অনুযায়ী নির্মিত এই আশ্রয়কেন্দ্রে ৫ ইন্ঞি আর সি সি ঢালাই দিয়ে শক্ত ইমারত করার বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার মাত্র ২ ইন্ঞি ঢালাই ও খুব নিম্ন মানের ও অল্প সংখ্যক রড দিয়ে ভবন নির্মান সম্পন্ন করে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অার সি সি ঢালাই এর রডের সাথে কনক্রিট এর কোন সম্পর্ক নাই মাত্র দুই ইন্ঞি ঢালাই এর নিচে সব লাল বালি( ২ নং বালি) এমতাবস্থায় সামন্য ভুমিকম্পে ভবন ধ্বসে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা ।

গ্রাম কে শহর করার দৃঢ় প্রত্যয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু জননেত্রীর উন্নয়ন কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সরকারী পর্যাপ্ত বাজেট থাকা সত্বেও নিম্মমানের এসব ভবণ তৈরী করা সত্যি দুঃখজনক। এসব বিষয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানাজানি হলে এ নিয়ে এলাকায় জনমনে আতংকের সৃষ্টি হয়। সাধারন জনগন ঠিকাদার এর এমন কর্মকান্ডে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং খুব শিগ্রই উর্ধতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে উক্ত প্রকল্পের ঠিকাদার বলেন, আমি বরাদ্দ অনুযায়ী কাজ করেছি, আর সি সি ঢালাই ৫ ইন্ঞি এর জায়গায় ২ ইন্ঞি কেন হয়েছে তা জানতে চাইলে তিনি কৌশলে ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রানালয়ের কক্সবাজার জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা জনাব রইস উদ্দীন মুকুল জানান, বিষয়টির ব্যাপারে আমি অবগত হয়েছি খুব শিগ্রই সংশ্লিষ্ট অফিসার কে অবগত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।