পেকুয়ায় চলাচল রাস্তা নিয়ে দ্বন্ধ, সংঘর্ষের শংকা

প্রকাশ: ৩ জুলাই, ২০১৯ ১০:১৬ : পূর্বাহ্ন

বার্তা পরিবেশক:
পেকুয়ায় একটি চলাচল রাস্তা নিয়ে দ্বন্ধ প্রকট আকার ধারন করেছে। এর সুত্র ধরে দু’পক্ষের মধ্যে যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের সংঘাত ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের চলাচল পথের সৃষ্ট বিরোধ নিস্পত্তির জন্য সামাজিক ভাবে নিস্পত্তি বৈঠক অনুষ্টিত হয়। বিরোধীয় উভয়পক্ষসহ সালিশি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সামাজিক প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিরোধ নিস্পত্তির জন্য চুড়ান্ত ফায়সালায় মিলিত হয়। এ সময় কাগজপত্র ও দলিল দস্তাবেজ সমুহ পর্যালোচনা ও উপস্থাপন হয়েছে। পরিমাপসহ চলাচল পথের পরিধি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ওই পথ দিয়ে পরিবার ও মানুষের যাতায়াত সুগম করতে এর প্রশস্তকরণ নিশ্চিত করে। এ সময় পরিমাপসহ চলাচল পথের রাস্তার জায়গা চুড়ান্তকরন করে ওই স্থানে আরসিসি পিলার স্থাপন করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, বিষয়টি সামাজিক ফায়সালার মাধ্যমে নিরসন হলেও একটি পক্ষ ফের সংঘাতে লিপ্ত হওয়ার উপক্রম তৈরী করেছে। স্থানীয় সুত্র জানায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের সিকদারপাড়া গ্রামে একটি চলাচল পথ নিয়ে দ্বন্ধ দেখা দিয়েছে। ওই এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের পুত্র রফিক আহমদ গং ও প্রতিবেশী ওমর হাসেমের পুত্র হেফাজতুর রহমান ভূট্রো গং চলাচল পথের জায়গা নিয়ে দ্বন্ধে জড়ায়। তারা উভয়পক্ষ ওই পথ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন। পথটি এদের পারিবারিক যাতায়াতের। সুত্র জানায়, সম্প্রতি চলাচল পথটির লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। দ্বন্ধের অবসান ঘটাতে উভয়পক্ষকে নিয়ে বৈঠক হয়েছে। জায়গার পরিমাপ ও পরিধি নির্ণয় করে। সুত্র জানায়, রফিক আহমদ গং জায়গা জবর দখলে নিতে তৎপর হয়েছে। তারা প্রতিবেশী হেফাজতুর রহমান ভূট্রো গংদের উপর আক্রমাত্মক প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। ভূট্রো জানায়, তারা প্রতিনিয়ত হাকাবকা, হুমকি ও ধমকি দিচ্ছে। জানমাল ক্ষতিসহ নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। আমরা এদের আচার আচরন ও গতিবিধিতে অত্যন্ত সন্দিহান হয়েছি। যে কোন মুহুর্তে হামলা, মামলা ও নানা ধরনের চক্রান্তে মেতে উঠার পূর্বাভাস দেখতে পাচ্ছি। পরিমাপ ও বৈঠকের সময় প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ ও এলাকার সর্দার মাষ্টার এনামুল হক, মাষ্টার বজলুর রহমান, শাহাব উদ্দিন, মোক্তার মিয়াসহ পথটিতে পিলার দিয়ে নির্ধারন করা হয়। এ দিকে হেফাজতুর রহমান ভূট্রো জানায়, আমার জায়গা থাকা স্বত্তেও প্রতিপক্ষের চলাচলের সুবিধার্থে উত্তর দক্ষিণ দিকে ১ হাত জায়গা ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আমি বর্তমানে চরম নিরাপত্তহীনতায় ভোগছি। এ ব্যাপারে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।