পেকুয়ায় নদীর তীরে স্থাপনা নির্মাণ, আটক-১

প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১২:০৭ : পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক,পেকুয়া:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় নদীর তীরে স্থাপনা নির্মাণ করায় ১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম নুরুল আলম (৬৫)। তার বাড়ি টইটং ইউনিয়নের নতুন পাড়া গ্রামে। পেশায় নির্মাণ শ্রমিক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পেকুয়া থানা পুলিশ ৭ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাইছড়ি গ্রাম থেকে তাকে আটক করে। তবে পেকুয়া থানার এ,এস,আই নাছির উদ্দিন আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানায়, বিরোধীয় জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে থানায় আনা হয়েছে। তাকে মূলত আটক করা হয়নি। স্থানীয় সুত্র জানায়, পশ্চিম সোনাইছড়ি গ্রামে ৬ শতক জায়গা নিয়ে নওশা মিয়ার ছেলে প্রবাসী নুরুন্নবী ও প্রতিবেশী মৃত নুরুল হকের ছেলে আনসার উদ্দিন চৌধুরীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। জায়গাটি পাউবোর বেড়িবাঁধের নদী পয়েন্ট অংশে। ওই দিন সকালে আনসার উদ্দিন চৌধুরী জায়গাতে স্থাপনা নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছিলেন। এ সময় প্রবাসী নুরুন্নবী এসে কাজ না করতে নিষেধ করেন। আনসার উদ্দিন কাজ থামাননি। এ সময় পেকুয়া থানার এ,এস,আই নাছির উদ্দিনসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স ওই স্থানে পৌছে। পুলিশ কাজ করার অপরাধে ওই নির্মাণ শ্রমিককে থানায় নিয়ে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জায়গার মালিকানা নিয়ে দু’পক্ষের দু’ধরনের দাবী উত্তাপিত হয়েছে। নুরুন্নবী জানায়, ওই জায়গা তিনি দলিল ও ননজুড়িসিয়াল স্ট্যাম্প মুলে পৃথক দু’বার খরিদ করেন। তার স্বত্ত জবর দখল করে আনসার উদ্দিন অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছিলেন। থানায় অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সার্ভেয়ার দিয়ে জায়গা পরিমাপ করে। সেখানে দালিলিক জায়গা প্রমাণিত হয়েছে। অপরদিকে আনসার উদ্দিন চৌধুরী জানায়, এ জায়গা নদীর তীরবর্তী স্থানে স্থিত। প্রায় ৩০ বছর ধরে তার অংশ তিনি ভোগ করছিলেন। পাউবোর মালিকানাধীন জায়গা হওয়ায় সেটির লিজ নিতে তিনি ও নুরুন্নবীর পিতা নওশা মিয়া আবেদন করেছেন। ২০০৯ সালের জুন মাসে পাউবো কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেন। নওশা মিয়া ও তিনি একটি আবেদনে যৌথ দরখাস্তকারী ছিলেন। এতে প্রমাণিত হয় ওই জায়গা ব্যক্তিমালিকানাধীন নয়। পাউবোর সম্পত্তি। নুরুন্নবী তাকে উচ্ছেদ করার কৌশল করছে। নুরুন্নবী জানায়, টইটং খালের তীরবর্তী হলেও ওই জায়গা সরকারী নয়। ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গা তিনি ২২ বছর আগে থেকে পৃথক দুটি চুক্তিনামা ও কবলায় খরিদ করেছেন। পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম জানায়, আসলে জায়গার বিষয়টি বিচারাধীন। যাকে আনা হয়েছে তিনি খুবই গরীব। পেটের দায়ে মানুষের কাছে শ্রম দেয়। তাকে যিনি ডাকবেন তার কাছে তো শ্রম দিবেন। তার দোষ নেই। এরপরও আমার অফিসার নিয়ে এসেছে। উত্তেজনা প্রশমিত করতে পুলিশ এ কাজটি করেছে।
পেকুয়ায় স্কুল ছাত্রীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে জখম