পেকুয়ায় প্রবাহমান খালে স্থাপনা নির্মাণ, আহত-২

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৯:০৭ : অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক,পেকুয়া:
পেকুয়ায় খালে স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রবাহমান খালের ¯্রােতধারায় অবৈধ স্থাপনা নির্মিত হওয়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে মারপিট হয়েছে। স্থাপনা অপসারনকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী ও স্থাপনা নির্মাণকারীর মধ্যে এ মারপিট হয়। এ সময় হামলায় ২ জন আহত হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর (বুধবার) দুপুরে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের কাদিমাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ওই এলাকার মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম (৬৫) ও তার ছেলে জুনাইদ (২৫)। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বারবাকিয়া ইউনিয়নের কাদিমাকাটায় প্রবাহমান খালে স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে ওই এলাকার নুরুল ইসলাম ও তার বোনের ছেলে ছরওয়ারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সদর ইউনিয়নের গোঁয়াখালী উত্তরপাড়া গ্রামের শামশুল আলমের ছেলে ছরওয়ার কাদিমাকাটা পয়েন্টে যাদুখালী ছড়ায় সম্প্রতি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে। সরকারী পানি চলাচল খালে ওই ব্যক্তি স্থাপনা নির্মাণ করে পানির প্রবাহে বিঘœ ঘটায়। তার মামা নুরুল ইসলাম ও মামাতো ভাই জুনাইদ খালে স্থাপনা নির্মান কাজ না করতে নিষেধ করেন। এ সময় ছরওয়ারসহ তার অনুগত কয়েকজন ভাড়াটে ধারালো দা, কিরিচ নিয়ে নুরুল ইসলাম গংদের উপর হামলা চালায়। গ্রামবাসীরা জানায়, ছরওয়ারের বাড়ি মূলত পেকুয়া সদরে। তবে ওই ব্যক্তি জবর দখলের কুমানসে ভিন্ন ইউনিয়ন বারবাকিয়ার কাদিমাকাটায় এসে ওই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করে। খালের ¯্রােত ও পানি আটকিয়ে ওই ব্যক্তি ছড়ার উপর একটি বিশালাকারে মুরগীর খামার তৈরী করে। খালের মাঝখানে গাছের খুঁটি পুঁতে বাঁশের বেড়া দিয়ে একটি ঝুলন্ত খামার নির্মাণ করে। এতে করে খালের ওই পয়েন্টে উজান থেকে নেমে আসা পানির ¯্রােত ঠেকাচ্ছে। ময়লা ও আবর্জনা স্তুপ তৈরী করে। এতে যাদুখালীর ছড়ার পানির গতিবেগ পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গ্রামবাসীরা ছড়ার উপর স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সোচ্ছার আওয়াজ তোলে। কাদিমাকাটার বাসিন্দা ও ওয়ার্ড আ’লীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি ফজল করিম, ৩ নং ওয়ার্ড ইউপির সাবেক মেম্বার মো: আলমগীর প্রকাশ আলম, সমাজ কমিটির আজিজুর রহমান, আহমদ মিয়া জানায়, পাহাড়ী গহীন অরণ্যে যাদুখালী ছড়াটির উৎপত্তি। বারবাকিয়া টইটংয়ের গভীর বনাঞ্চল থেকে এ ছড়াটি উজানের দিকে নেমে আসে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার। বারবাকিয়া বনবিট কর্মকর্তার কার্যালয়ের লাগোয়া পাহাড়ী ওই ছড়াটি ধনিয়াকাটা বাজারের দক্ষিন দিকে গিয়ে মৌলভীবাজার খালে মিশে। ধনিয়াকাটা থেকে মৌলভীবাজার টইটং নদী পর্যন্ত ছড়াটি খালে রুপান্তর হয়। এ দিকে প্রবাহমান ওই ছড়ায় স্থাপনা নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। খালের পানি চলাচল সক্রিয় করতে গ্রামবাসীরা ওই স্থাপনা গুড়িয়ে দিতে জড়ো হয়েছেন। সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওই দিন সকালে সেটি অপসারনের উদ্যোগ নেয়। এ সময় জবরদখলকারী চক্র দেশীয় অস্ত্র স্বস্ত্রসহ ভাড়াটে লোকজন জড়ো করে। তারা গ্রামবাসীর উপর চড়াও হয়েছে। এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) উম্মে কুলসুম মিনু জানায়, খালটি অতীব গুরুত্ব বহন করে। খালের উপর স্থাপনা নির্মাণ কোন অবস্থায় সমর্থনযোগ্য নয়। অবশ্যই সেটি অপসারণ করতে জরুরী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি আমরা। পেকুয়ায় প্রবাহমান খালে স্থাপনা নির্মাণ, আহত-২
ছবি আছে
নিজস্ব প্রতিবেদক,পেকুয়া:
পেকুয়ায় খালে স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রবাহমান খালের ¯্রােতধারায় অবৈধ স্থাপনা নির্মিত হওয়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে মারপিট হয়েছে। স্থাপনা অপসারনকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী ও স্থাপনা নির্মাণকারীর মধ্যে এ মারপিট হয়। এ সময় হামলায় ২ জন আহত হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর (বুধবার) দুপুরে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের কাদিমাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ওই এলাকার মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম (৬৫) ও তার ছেলে জুনাইদ (২৫)। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বারবাকিয়া ইউনিয়নের কাদিমাকাটায় প্রবাহমান খালে স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে ওই এলাকার নুরুল ইসলাম ও তার বোনের ছেলে ছরওয়ারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সদর ইউনিয়নের গোঁয়াখালী উত্তরপাড়া গ্রামের শামশুল আলমের ছেলে ছরওয়ার কাদিমাকাটা পয়েন্টে যাদুখালী ছড়ায় সম্প্রতি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে। সরকারী পানি চলাচল খালে ওই ব্যক্তি স্থাপনা নির্মাণ করে পানির প্রবাহে বিঘœ ঘটায়। তার মামা নুরুল ইসলাম ও মামাতো ভাই জুনাইদ খালে স্থাপনা নির্মান কাজ না করতে নিষেধ করেন। এ সময় ছরওয়ারসহ তার অনুগত কয়েকজন ভাড়াটে ধারালো দা, কিরিচ নিয়ে নুরুল ইসলাম গংদের উপর হামলা চালায়। গ্রামবাসীরা জানায়, ছরওয়ারের বাড়ি মূলত পেকুয়া সদরে। তবে ওই ব্যক্তি জবর দখলের কুমানসে ভিন্ন ইউনিয়ন বারবাকিয়ার কাদিমাকাটায় এসে ওই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করে। খালের ¯্রােত ও পানি আটকিয়ে ওই ব্যক্তি ছড়ার উপর একটি বিশালাকারে মুরগীর খামার তৈরী করে। খালের মাঝখানে গাছের খুঁটি পুঁতে বাঁশের বেড়া দিয়ে একটি ঝুলন্ত খামার নির্মাণ করে। এতে করে খালের ওই পয়েন্টে উজান থেকে নেমে আসা পানির ¯্রােত ঠেকাচ্ছে। ময়লা ও আবর্জনা স্তুপ তৈরী করে। এতে যাদুখালীর ছড়ার পানির গতিবেগ পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গ্রামবাসীরা ছড়ার উপর স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সোচ্ছার আওয়াজ তোলে। কাদিমাকাটার বাসিন্দা ও ওয়ার্ড আ’লীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি ফজল করিম, ৩ নং ওয়ার্ড ইউপির সাবেক মেম্বার মো: আলমগীর প্রকাশ আলম, সমাজ কমিটির আজিজুর রহমান, আহমদ মিয়া জানায়, পাহাড়ী গহীন অরণ্যে যাদুখালী ছড়াটির উৎপত্তি। বারবাকিয়া টইটংয়ের গভীর বনাঞ্চল থেকে এ ছড়াটি উজানের দিকে নেমে আসে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার। বারবাকিয়া বনবিট কর্মকর্তার কার্যালয়ের লাগোয়া পাহাড়ী ওই ছড়াটি ধনিয়াকাটা বাজারের দক্ষিন দিকে গিয়ে মৌলভীবাজার খালে মিশে। ধনিয়াকাটা থেকে মৌলভীবাজার টইটং নদী পর্যন্ত ছড়াটি খালে রুপান্তর হয়। এ দিকে প্রবাহমান ওই ছড়ায় স্থাপনা নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। খালের পানি চলাচল সক্রিয় করতে গ্রামবাসীরা ওই স্থাপনা গুড়িয়ে দিতে জড়ো হয়েছেন। সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওই দিন সকালে সেটি অপসারনের উদ্যোগ নেয়। এ সময় জবরদখলকারী চক্র দেশীয় অস্ত্র স্বস্ত্রসহ ভাড়াটে লোকজন জড়ো করে। তারা গ্রামবাসীর উপর চড়াও হয়েছে। এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) উম্মে কুলসুম মিনু জানায়, খালটি অতীব গুরুত্ব বহন করে। খালের উপর স্থাপনা নির্মাণ কোন অবস্থায় সমর্থনযোগ্য নয়। অবশ্যই সেটি অপসারণ করতে জরুরী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি আমরা।