বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষঠান হবে কক্সবাজার ডিসি কলেজ

প্রকাশ: ১ জুলাই, ২০১৯ ১১:১৪ : অপরাহ্ন

বার্তা পরিবেশক।জেলা প্রশাসন কক্সবাজার কর্তৃক সরাসরি পরিচালিত ও নব প্রতিষ্ঠিত কক্সবাজার ডিসি কলেজের একাদশ শ্রেণী ছাত্র-ছাত্রীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান ১ জুলাই ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ তারিখে অস্থায়ী ক্যাম্পাস কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।

নবীন বরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীদরে মাঝে সকল বিষয়ের বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয় এবং প্রত্যকে ছাত্র-ছাত্রীকে কক্সবাজার ডিসি কলজেরে পক্ষ থেকে কলেজের নির্ধারিত ড্রেস ও ব্যাগ প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়।

নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ কামাল হোসেন, সম্মানিত জেলা প্রশাসক কক্সবাজার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, কক্সবাজার এর পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মো আদিবুল ইসলাম, এডভোকটে সিরাজুল মোস্তাফা, সভাপতি, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ, জনাব মুজিবুর রহমান, মেয়র, কক্সবাজার পৌরসভা, জনাব সালাহ উদ্দিন সিআইপি, সভাপতি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি, জনাব সোমেশ্বর চক্রবর্তী, সাবেক অধ্যাপক, কক্সবাজার সরকারী কলেজ, মো কায়সারুল হক জুয়েল, উপজেলা পরিষদ, সদর উপজেলা, কক্সবাজার, জনাব ফজলুল কাদের চৌধুরী, সভাপতি, সিভিল সোসাইটিজ ফোরাম, কক্সবাজার, এডভোকেট রঞ্জিত দাশ, সভাপতি, পূজা উদযাপন কমিটি, কক্সবাজার জেলা, জনাব মো: শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, কক্সবাজার, জনাব নঈমুল হক চৌধুরী টুটুল, সভাপতি, জাসদ, কক্সবাজার, জনাব আবু তাহের, সভাপতি, সাংবাদিক ইউনিয়ন, কক্সবাজার।

উপস্থিত প্রধান অতিথি সম্মানীত জেলা প্রশাসক জনাব মো: কামাল হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, কক্সবাজার ডিসি কলেজে যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়েছে তাদের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। কক্সবাজার ডিসি কলেজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার যে উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে তা পূরণ করতে সক্ষম হবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কক্সবাজার ডিসি কলেজ ভবিষ্যতে দেশের জন্য একটি আদর্শ কলেজ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে এই আশাও তিনি প্রকাশ করেন। অন্যান্য সকল বিশেষ অতিথি তাদের বক্তব্যে কক্সবাজার ডিসি কলেজের সকল ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শুভ কামনা জানান এবং কক্সবাজার ডিসি কলেজ একদিন কক্সবাজার সহ সারা বাংলাদেশে অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে কক্সবাজার শিল্পকলা একাডেমীর পক্ষ থেকে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।