বৃষ্টির পানির উচ্চতা বেড়ে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে যানচলাচল অনুপযোগী

প্রকাশ: ৫ জুলাই, ২০১৯ ৮:০০ : অপরাহ্ন

কায়সার হামিদ মানিক,উখিয়া::
গত ৫ দিন থেমে থেমে বৃষ্টির পাশাপাশি বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত একটানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে কক্সবাজার-টেকনাফ (শহীদ এটিএম জাফর আলম) সড়কের উখিয়ার রোহিঙ্গা অধ্যূষিত এলাকা কুতুপালং থেকে পালংখালী পর্যন্ত সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং ভুক্তভোগীরা অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণকে দায়ী করেছেন।
সরজমিন দেখা গেছে, উখিয়া কুতুপালং বাজারের দক্ষিণ পাশ থেকে শুরু করে বালূখালী পানবাজার, থাইংখালী পশ্চিম ষ্টেশন এবং পালংখালী বাজারটি বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে পানিতে ভাসছে। এসময় থাইংখালী এলাকার নোমান খান নামের এক কলেজ জানালেন, থাইংখালী এলাকার এক প্রভাবশালী বাজারের নালা বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণ করার কারনে পানি চলাচলে বাধাগ্রস্থ হয়ে বাজারের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। একই কথা বালুখালী পানবাজার এলাকার বাসিন্দা মোঃ সেলিমের।  পালংখালী ষ্টেশনের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা কামাল উদ্দিন বলেন, বাজারে যে খালটি রয়েছে এটি ভরাট করে কিছু অসাধু ব্যক্তি দোকান পাট নির্মাণ করেছে। যার ফলে আজকে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
কলিম উল্লাহ নামের কক্সবাজারগামী নাফ স্পেশালে সার্ভিসের এক যাত্রী জানালেন, সে ৭টার দিকে পালংখালী ষ্টেশনে পৌছি কিন্তু সড়কের উপর দিয়ে পানি চলাচলের কারনে দীর্ঘ ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। পরে ঝুঁকিনিয়ে গাড়ী চালক কোন রকম উখিয়া পর্যন্ত নিয়ে আসলেও কক্সবাজার পৌছতে দুপুর ২টা পর্যন্ত লাগতে পারে বলে সে মন্তব্য করেন। এভাবে দুর্ভোগের কথা জানালেন আরো অসংখ্য যাত্রী।
পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, রোহিঙ্গা আসার পর থেকে কতিপয় অসাধু ব্যক্তিরা প্রভাব বিস্তার করে নিজের ইচ্ছামতো খাল,নালা,নর্দমা দখল করে অপরিকল্পিত স্থাপনা গড়ে তোলার কারনে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের উপর দিয়ে বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বেশি কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে তিনি জানান।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জান চৌধুরী জানান, মানুষের অপরিকল্পিত পরিকল্পনার কারনে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় কিছু কিছু এলাকায় পানি সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এতে কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন।