মগনামায় জেলে ও হতদরিদ্রদের মাঝে ৬৬ মেট্রিক টন চাল বিলি

প্রকাশ: ২ আগস্ট, ২০১৯ ৪:১২ : অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক,পেকুয়া:
পেকুয়ায় মগনামা ইউনিয়নে জেলে ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিলি করা হয়েছে। বিশেষ ভিজিএফ কর্মসুচীর আওতায় ওই ইউনিয়নে ২০৬৪ পরিবারকে খাদ্যশস্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। একইদিন জেলে পরিবারের মাঝেও খাদ্যশস্য বিতরণ করে। ১ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০ টার দিকে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে চাল বিলি কার্যক্রমের শুভ সুচনা করা হয়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম সরকার প্রদত্ত চাল বিতরণ কার্যক্রমে সুচনা করেছেন। এ সময় স্থানীয় ইউপির সদস্য সচিব ও কর্মচারীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সুত্র জানায়, বিশেষ ভিজিএফ এর আওতায় সরকার মগনামা ইউনিয়নের জন্য ৩০.৬৬ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্ধ দেয়। হতদরিদ্র ২০৬৪ পরিবারের মধ্যে ভিজিএফ চাল বিলি করা হয়েছে। একইভাবে জেলে পরিবারের মাঝেও সরকারের তরফ থেকে মগনামা ইউনিয়নের জন্য খাদ্যশস্য বরাদ্ধ দেয়। ৩৫.৬৬ মেট্রিক টন চাল জেলেদের জন্য বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। ৭৬৩ পরিবারকে উপকারভোগী চুড়ান্তকরন করা হয়। প্রত্যেক পরিবারের মাঝে সরকার ৪৬ কেজি চাল বরাদ্ধ দেয়। ভিজিএফের আওতায় প্রতি পরিবার ১৫ কেজি করে খাদ্যশস্য বরাদ্ধ পেয়েছে। ইউপি সদস্য নুরুল আজিম, জসিম উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ মাদু, আজিজুল হক ও শাহেদুল ইসলাম, খোরশেদ আলম জানায়, মগনামার অধিকাংশ পরিবার ঈদ-উল আজহার আগে চাল পেতে যাচ্ছেন। স্বচ্ছ ও সুষ্টু বন্টনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ সমগ্র ইউনিয়নে মাইকিং করেছে। সরকারের এ অনুদান সব মানুষ পেতে যাচ্ছে। জেলেদের জন্য পৃথক বরাদ্ধ হওয়ায় চাল বিতরণ আরও অধিক মানুষ লাভবান হয়েছে। চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৩ মেট্রিক টন চাল দিয়েছেন। যারা তালিকার বাইরে ছিল চেয়ারম্যানের এ অনুদান তারাই পেয়ে থাকেন। ইউপি চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম জানায়, এখানে স্বচ্ছ ও সুষ্টু বন্টন নিশ্চিত করা হয়েছে। বরাদ্ধের নির্দিষ্ট আরও অধিক মানুষ চাল নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন। সরকার যে বরাদ্ধ দিয়েছেন তা উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। প্রায় ৭/৮শ পরিবারের মাঝে অতিরিক্ত বরাদ্ধ আমি ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছি। যাতে কোন অসহায় ও দরিদ্র মানুষ চাল ছাড়া বাড়িতে না পৌছে।