শিল্প প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানতে তৈরি হচ্ছে বিজনেস ডিরেক্টরি

প্রকাশ: ৩১ মার্চ, ২০১৮ ১০:১১ : পূর্বাহ্ন

ডেস্ক নিউজ:

দেশের সব শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক ইউনিটের বিস্তারিত তথ্য জানাতে তৈরি হচ্ছে বিজনেস ডিরেক্টরি।এর আগে ২০০৯ সালে বিজনেস রেজিস্টার করেছিল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। প্রায় আট বছর পর এ পরিসংখ্যানের নাম পরিবর্তন করে বিজনেস ডিরেক্টরি-২০১৮ তৈরি করা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, বিশেষ অতিথি ছিলেন একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা আক্তার। সভাপতিত্ব করেন বিবিএসের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এ বি এম আরশাদ হোসেন।কর্মশালায় জানানো হয়, ২০০৩ সালের অর্থনৈতিক শুমারির পর সেই তথ্য ব্যবহার করে ২০০৫ সালে বাংলাদেশে প্রথম বিজনেস রেজিস্টার তৈরি করা হয়। পরে ২০০৯ সালে তা আপডেট করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো বিজনেস রেজিস্টার করা হয়নি। দীর্ঘদিন পর আবার বিজনেস ডিরেক্টরি করা হচ্ছে। এতে স্থান পাওয়া সংশ্লিষ্ট শিল্পের বিস্তারিত তথ্য থাকবে। অর্থাৎ সেটি কী ধরনের শিল্প, কী ধরনের পণ্য উৎপাদন করে, কোথায় অবস্থিত, মূলধন কত, শ্রমিক-কর্মচারী কত, সেবা প্রতিষ্ঠন হলে কী ধরনের সেবা উৎপাদন করে, কাদের জন্য উৎপাদন করে এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের নাম্বারসহ ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য যোগ করা হবে।

এই ডিরেক্টরি তৈরিতে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি টাকা। চলতি মাস থেকে আগামী ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত এটি তৈরির কাজ চলবে। বিজনেস ডিরেক্টরির ৩১টি ভলিউম তৈরি করা হবে।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, বর্তমানে অর্থনীতিতে শিল্প ও সেবা খাতের অবদান বাড়ছে। সেক্ষেত্রে এই বিজনেস রেজিস্টার জাতীয় নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা আক্তার বলেন, অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে শিল্প। এক সময়ে জিডিপিতে ১০ শতাংশ অবদান রাখলেও বর্তমানে শিল্প খাত জিডিপিতে ৩০ শতাংশ অবদান রাখছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে সেবা খাতের অবদান। এ অবস্থায় শিল্পের প্রকৃত চিত্র জানা জরুরি।