শেষ মুহুর্তে ঈদগাঁওতে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠছে : দেশীয় গরু-মহিষের কদর তুঙ্গে

প্রকাশ: ১১ আগস্ট, ২০১৯ ১১:৪৪ : পূর্বাহ্ন

এম আবুহেনা সাগর,নিজস্ব প্রতিবেদক,ঈদগাঁও
শেষ মুহুর্তে জেলা সদরের ঈদগাঁওতে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে। এবার দেশীয় গরু মহিষের কদর তুঙ্গে রয়েছে। বিগত বছরের তুলনায় এবছর দ্বিগুন দাম নিয়ে বিপাকে পড়েছে ক্রেতারা। চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও বাসষ্টেশনের দুপাশ জুড়ে কোরবানীর পশুর হাট যেন জমজমাট আকার ধারন করছে। তবে মহাসড়কের উপর পশুর বাজার হওয়াতে দুরপাল্লাসহ স্থানীয় যান বাহনে চলাচলে নিদারুন কষ্টের পাশাপাশি যানজটে জনদূর্ভোগে চরমে উঠেছে। আর এক রাত পার হলেই কোরবানের ঈদ। এ ঈদে বৃহত্তর ঈদগাঁওর প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চল থেকে আসা ক্রেতা বিক্রেতা ছাড়াও পাশ্বর্বতী রামুর ঈদগড়, রশিদ নগর,চকরিয়ার খুটাখালী, ডুুুলাহাজারা, নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীর লোকজনও প্রতিবছর কোরবানের পশু ক্রয়-বিক্রয়ের লক্ষে ঈদগাঁওর বৃহৎ গরু মহিষের হাটে এসে থাকে। ১০ আগষ্ট বিকেলে দেখা যায়, ষ্টেশনের দুপাশ জুড়েই পশু আর পশু চেয়ে গেছে। ক্রেতা বিক্রেতাদের ভীড় যেন লক্ষ্যনীয়। বাজারে আসা দুয়েক বয়োবৃদ্বরা এবার কিন্তু গরু মহিষের দ্বিগুন দামের কথা। কেউ আসছে একক ভাবে কোরবানের পশু ক্রয়ের জন্য আর কেউ আসছে যৌথ ভিত্তিকে কোরবানের পশু কিনতে। তবে এ বাজারে মাঝারী আকার গরু মহিষের চাহিদার চিত্র চোখে পড়ছে। অন্যদিকে সড়কের পাশঘেঁষে গরু মহিষ দাঁড় করিয়ে বিক্রি করছে বিক্রেতা। ক্রেতাসহ যানবাহন চলাচলে ভোগান্তিতে পড়ছে। রশিদনগর কাহাতিয়া পাড়ার এক গরু বিক্রেতা কক্সবাজার প্রতিদিনের প্রতিবেদককে জানান, তার পালিত শখের পশুটি কোর বানের বাজারে বিক্রি করতে হাট বাজারে এনেছে। তবে দাম দিয়েছে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। জোয়ারিয়ানালা আরেক গরু ব্যবসায়ী তার লালিত বড় গরুর দাম হাকিয়েছে ৪ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।
পশুর হাট দেখতে আসা কজনের সাথে কথা হলে তারা  গরুর বাজারটি বিগত বছরের ন্যায় এবছর সুন্দর হয়েছে। পরিবেশও ভাল লেগেছে। গরু মহিষ আলাদা আলাদা পরিসরে বিক্রি হচ্ছে। এতিহ্যবাহী এ বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট থাকলেও নেই চেকিংয়ের লোকজন। পুলিশী টহল রয়েছে। কয়েক ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঈদগাঁও পশুর হাটে গরু মহিষের দাম বৃদ্বি। একাধিক পথচারীরা জানিয়েছেন, প্রতি বছরের ধারায় এবার ও মহাসড়ক দখল করে পশুর হাট বসে। নির্ধারিত স্থান না থাকায় মহাসড়কের উপর রাখা হচ্ছে গরু মহিষ। এতে সাধারণ জনগন প্রতিনিয়ত একের পর এক দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। গরু বাজারের নির্ধারিত কোন মাঠ না থাকায় মহাসড়কের উভয় পাশে গরু-মহিষ রাখার ফলে বাড়ছে তীব্র যানজট। বাজারের জন্য নির্ধারিত কোন ফাঁকা মাঠ বা জায়গা নেই। ষ্টেশনের গ্রামীন ব্যাংক এলাকা থেকে কলেজ গেইট পর্যন্ত জন ও যান চলাচলের সড়কের উভয় পাশে রাখা হয়েছে অসংখ্য পশু। যার ফলে বাসষ্টেশনে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে বেশিভাগ। তবে ঈদগাঁওর বৃহৎ পশুর হাট থেকে গরু কিনতে এসেছেন জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক, জেলা আ,লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর মাহবুবুর রহমান মাবু, জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুরসহ আরো অনেকে।