সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের তদারকির দাবী….. ঈদগাঁওতে পবিসের মনগড়া বিল,বিপাকে গ্রাহক

প্রকাশ: ১ জুলাই, ২০১৯ ৪:১৭ : অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঈদগাঁও

কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাভুক্ত ঈদগাঁও সাব জোনাল অফিসের অধিকাংশ গ্রাহকরা মনগড়া বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এসব বিষয়ে দেখার কেউ না থাকায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। ঈদগাঁও মাইজ পাড়ায় গ্রাহক হেনার অভিযোগ,তার বাড়ীতে চলতি বছরের জানুয়ারী মাসে পল্লী বিদ্যুতের বিল এসে ছিল ৩ শত ৩১ টাকা,মার্চ মাসে ৬শত ৬০টাকা, এপ্রিল মাসে ৩শত ৩১ টাকা এবং মে মাসে ৩৮০ টাকা হিসেবে বিল এসেছে। কিন্তু জুন মাসে বিল ছাড়িয়ে গেলো তিনগুনে। সেটি ১৭শত ১৮টাকা  এসে দাঁড়াল। এটি শুধু একজন গ্রাহকের নয়, পাশ্বর্বতী আরো বেশ কয়েকটি গ্রাহকরা ভূতুড়ে বিল নিয়ে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে।
বৃহত্তর এলাকার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল থেকে ব্যাংকে বা পবিস অফিসে বিল জমাদান করতে যাওয়া কজন গ্রাহক হতাশ কন্ঠে জানান,তাদেরই বিদ্যুৎ বিল প্রায় একই রকম এসেছে। অভিযোগ করে লাভ নেই। কোন প্রকার ফলাফল পাওয়া যায়না বলে অভিযোগ তাদের।
জালালাবাদ ইদ্রিসপুরের জসিম উদ্দিন অভি যোগ করেন,তাঁর বাড়ীতে এপ্রিল মাসে ৩শত ৮৬ টাকা বিল এসেছিল,কিন্তু মে মাসে এসে ১১শত ১৯ টাকায় পরিনত হল। সাব জোনাল অফিসের আওতা ভুক্ত গ্রাহকদের কাছে প্রতি মাসে বিল পৌঁছে দেন মিটার রিডারগন। কিন্তু এরা মিটার না দেখেই অনেক সময় মনগড়া বিল দিচ্ছে বলে অভিযোগ গ্রাহক সমাজের।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে কজন পবিস গ্রাহকরা জানিয়েছেন,দৈনিক আয় করে থাকি অল্প টাকা, কিন্তু মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল গুনতে তিনগুন টাকা। এতে করে আমরা সাধারন গ্রাহক তথা দিনে এনে দিনে খায় এমন গ্রাহকদের পক্ষে মনগড়া বিলের চাপে আমরা  হতাশ। মিটার রিড়িংকারীদের বিরুদ্বে বিহীন ব্যবস্থারসহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের তদারকির আহবান জানান।
ঈদগাঁও পবিসের এজিএমের সাথে কথা হলে তিনি মিটারের রিড়িং চেক করার কথা বলে লাইন কেটে দেয়।