সমুদ্রে দিনব্যাপী অভিযান, পুড়িয়ে নষ্ট করা হলো জব্দকৃত লক্ষাধিক মিটার নিষিদ্ধ জাল

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর, ২০১৯ ৯:৩৯ : অপরাহ্ন

আতিকুর রহমান মানিক
জাতীয় মাছ ইলিশের প্রজনন মৌসূম শুরু হয়েছে গত ৯ অক্টোবর থেকে। চলমান ভরা প্রজনন মৌসূমে মা ইলিশ সংরক্ষন, ডিম ছাড়ার অনূকূল পরিবেশ নিশ্চিতকরন ও সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কক্সবাজার সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর ও নদ-নদী মোহনায় শুরু হয়েছে অভিযান। এর অংশ হিসাবে সমুদ্রে দিনব্যাপী যৌথ অভিযানে ১ লক্ষ ৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়েছে। ১২ অক্টোবর (শনিবার) সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় (সদর) ও কোস্ট গার্ড কক্সবাজার ষ্টেশন যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন সোনাদিয়া চ্যানেল, ঘটিভাঙ্গা খাল ও মহেশখালী চ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্টে দিনব্যাপী এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কমকর্তা (সদর) তারাপদ চৌহান।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কার্যালয়ের ফিল্ড এ্যাসিষ্ট্যান্ট জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সকাল দশটায় অভিযান শুরু হয়। বিকাল ৪ টা পর্যন্ত একটানা এ অভিযানে নাজিরারটেক মোহনা, সোনাদিয়া চ্যানেল, ঘটিভাঙ্গা খাল ও মহেশখালী চ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে মশারী জাল, চরঘেরা জাল ও খুঁটি জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব জালের দৈর্ঘ্য আনুমানিক ১ লক্ষ ৫ হাজার মিটার হবে বলে জানা গেছে। এসময় ৫ টি বড় আকারের বিহিঙ্গি জালও জব্দ করা হয়।
একই দিন বিকালে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম খালেকুজ্জামান ও অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জব্দকৃত জাল নুনিয়া ছড়া কোস্ট গার্ড ষ্টেশন প্রাঙ্গনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড কক্সবাজার ষ্টেশনের চীফ পেটি অফিসার দীপন বড়ুয়ার নেতৃত্বাধীন কোষ্ট গার্ড ফোর্স, জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী রুহুল কাদের ও মেরিন ফিশারীজ সহকারী হুমায়ুন কবির প্রমূখ অভিযানে উপস্হিত ছিলেন।
জব্দ ও ধ্বংসকৃত জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা হবে বলে জানা গেছে।
অভিযান পরিচালনাকারী ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (সদর) তারাপদ চৌহান জানান, জাতীয় মাছ ইলিশের চলমান প্রজনন মৌসূমকে সামনে রেখে মা ইলিশ সংরক্ষন, সাগরের মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।