জেলায় মসজিদে সীমিত আকারে হবে ঈদের জামাত

প্রকাশ: ২১ মে, ২০২০ ৩:৫৪ : অপরাহ্ন

মাহাবুবুর রহমান.
করোনা পরিস্থিতির কারনে দেশের কোথাও ঈদ জামাত হবে না। সীমিত আকারে মসজিদেই হবে ঈদের নামাজ। আবার মসজিদের একাধিক জামাত করা যাবে। তবে মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না তবে মুসল্লীরা বাড়ি থেকে জায়নামাজ নিয়ে আসতে পারবে। কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান,চলতি বছর করোনা পরিস্থিতির কারনে ঈদের নামাজ আগের মত ঈদগাহ মাঠে অনুষ্টিত হবে না। এটা ধর্ম মন্ত্রনালয়ের সিন্ধান্ত সে হিসাবে স্থানীয় ভাবে আমরাও জেলা প্রশাসন থেকে সেই সিন্ধান্তের বাস্তবায়ন করতে কাজ করছি। তাই সীমিত আকারে মসজিদেই ঈদের নামাজ অনুষ্টিত হবে।
কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র হেলাল উদ্দিন কবির জানান,২১ মে ২৭ রমজান সে হিসাবে ২৪ অথবা ২৫ মে ঈদুল ফিতর অনুষ্টিত হতে পারে। আগে পৌরসভার পক্ষ থেকে জেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে প্যান্ডেল তৈরি করা থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবস্থা পৌর পরিষদ করতো কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতির কারনে ঈদ মাঠে জামাত হবে না। শুধু মাত্র মসজিদের ভেতরে সীমিত আকারেই হবে ঈদের জামাত।
এদিকে শুধু জেলা শহর নয় বিভিন্ন উপজেলা শহরেও মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করার বদলে মসজিদে মসজিদে ঈদের নামাজের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান বলেণ,জাতীয় সিন্ধান্ত অনুযায়ী এবার মাঠে কোথাও ঈদের জামাত হবে না। সব মসজিদের নামাজের জন্য প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে মহেশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান শরীফ বাদশা বলেন,এবারই প্রথম মানুষ খুব নিরানন্দ ভাবে ঈদ উদযাপন করতে হবে। আর জাতীয় সিন্ধান্ত হবে মাঠে ঈদের জামাত হবে না। সে জন্য সব মসজিদের ঈদের নামাজের জন্য কাজ চলছে প্রয়োজনে এক মসজিদের একাধিক জামাত হবে।