জালালাবাদের দুই সহোদরকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আসামি করার অভিযোগ

প্রকাশ: ৬ জুলাই, ২০২০ ১২:১৭ : পূর্বাহ্ন

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও, কক্সবাজার।
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জালালাবাদে একটি মামলা কে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগীদের কেহ কেহ হয়রানি করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রমূলক এ মামলায় তাদের আসামি করার অভিযোগ করেছেন‌। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, ঈদগাঁও মৌজার আর, এস দাগ নম্বর ১৩৫৪৫-৬৯৬, ১৩৫৪৬৪৮, বি, এস দাগ নম্বর ১৪৬১৫/১৪৬১৪, দলিল নম্বর ৪২৪৭, ৪২৪৯ এর রেকর্ডীয় মালিক জালালাবাদ ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের মৃত মোঃ ফেরদৌস, আব্দুল মতলব ও নুর আহমদ। একই ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লরাবাক নিবাসী মৃত হাজী সৈয়দ উল্লাহর পুত্র
সৈয়দ আলমদের সাথে উপরুক্তদের দীর্ঘদিন বিরোধ রয়েছে। মৃত মোঃ ফেরদৌস এর পুত্র সাইফুল ইসলাম জানান, বিরোধীয় জমির বি, এস, আর, এস রেকর্ড মতে ৫৬ ইংরেজিতে তার পিতা ও দাদার নামে দলিল হয়েছে। কিন্তু ৭২ সালে এসে তারা একটি ভুয়া দলিল সৃজন করে। আমাদের জমি দখলে নিতে তারা জোরপূর্বক বারবার সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটাচ্ছে। আমাদের জমিতে ট্রাক্টর চালক জমি চাষাবাদ করতে গেলে সৈয়দ আলম বাধা দেয়। এতে আমার ছোট ভাই নজরুলের সাথে তাদের তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সৈয়দ আলম কক্সবাজার মডেল থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এতে অনর্থক ভাবে আমি ও আমার ছোট ভাই দিদারুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি ঐদিন ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তখন পূর্ব লরাবাক হাফেজ খানা সংলগ্ন একটি বাড়িতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের একটি সালিশী বৈঠকে অংশ নিয়েছিলাম। ওই বৈঠকে স্থানীয় চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান রাশেদ, মেম্বার সাইফুল হক, মেম্বার নুরুল আবসার সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি দাবি করেন, তিনি ঈদগাঁও বাজারের একজন সুপরিচিত ডিস্ট্রিবিউটর ব্যবসায়ী। পাশাপাশি জালালাবাদ ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তার ছোট ভাই দিদারুল ইসলাম ঈদগাঁও বাজারের কসমেটিক ও জুতার দোকানের মালিক। তাকেও এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। অথচ সে ঘটনার সময় ঈদগাঁওতে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিলো। সাইফুল বলেন, মামলার বাদী সৈয়দ আলমরা আমাদের রেকর্ডীয় খতিয়ানের জমির পথ দিয়ে এখনো যাতায়াত করেন। ভুক্তভোগী সাইফুল ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে মাননীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবঃ) ফুরকান আহমদ ও কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহজাহান কবিরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।