চকরিয়ায় দাঁতের চিকিৎসা নিতে গিয়ে ‘যৌন হেনস্তার শিকার’ গৃহবধূ

প্রকাশ: ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ৭:১৭ : অপরাহ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট।চকরিয়া উপজেলায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে এক গৃহবধূ যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী নারী আয়ুব খান নামে এক গ্রাম্য ডাক্তারের কাছে দাঁতের চিকিৎসা করাতে গিয়ে এ হেনস্তার শিকার হন।

এ ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই ভুক্তভোগী নারী চকরিয়া থানায় অভিযোগ করেন।

advertisement

আয়ুব খান চকরিয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ লক্ষ্যারচর কাজি পাড়ার বাসিন্দা।

হেনস্তার শিকার ওই গৃহবধূ বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে আমি দাঁতের চিকিৎসা নিতে স্বামীসহ চকরিয়া পৌরসভার ফুলতলায় আয়ুব খানের চেম্বারে যাই। চিকিৎসার শুরুতে আমার চারমাস বয়সী শিশু কান্না শুরু করলে আমার স্বামী তাকে নিয়ে বাইরে গেলে ডাক্তার আমার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। আমাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। এ সময় আমি চিৎকার করার চেষ্টা করলে মুখ চেপে ধরে। আধাঘণ্টা ধরে আমাকে বিভিন্নভাবে যৌন হেনস্থা করেন তিনি। পরে আমাকে স্বামী ছাড়া এসে চিকিৎসা নিতে বলেন। এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য অনুরোধ করেন। পরে স্বামী ঘটনাস্থলে আসলে আমাকে চিকিৎসা দিয়ে বিদায় দেন।’

advertisement

ভুক্তভোগী নারী আরও বলেন, ‘বাড়ি পৌঁছানোর পর সন্ধ্যায় এ ঘটনা আমার স্বামীকে খুলে বললে তিনি আমাকে চকরিয়া উপেজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। সন্তানের বয়স চার মাস হলেও আমি অসুস্থ। আমাকে ধস্তাধস্তি করে যৌন হেনস্তা করায় আমার সর্বশরীর ব্যথা হয়ে আছে।’

ওই ভুক্তভোগী নারীর স্বামী বলেন, ‘এ ঘটনা জানার পর স্থানীয় ইউপি সদস্যকে অবহিত করি। পরে থানায় মৌখিকভাবে জানানোর পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্ত আয়ুব পালিয়ে যায়।’

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় সন্দেহ রয়েছে। এরপরও তদন্ত সাপেক্ষে প্রমাণ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ছাড়া ইতিমধ্যে এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।