চৌফলদন্ডী রাখাইন পাড়ার বাসিন্দাদের উদ্বেগের কারণ নেই : ডিসি

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ১২:২৩ : পূর্বাহ্ন

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের উত্তর রাখাইন পাড়ার বাসিন্দাদের বসতভিটা হতে উচ্ছেদ আতংকে থাকতে হবে না। সরেজমিনে তদন্ত করে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার ১১ ফেব্রুয়ারী সকালে কক্সবাজার জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের কক্সবাজার জেলা সভাপতি এডভোকেট দীপংকর বড়ুয়া পিন্টুর বক্তব্যের জবাবে সভার সভাপতি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কামাল হোসেন এ আশ্বাস প্রদান করেন।

জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সিনিয়র সদস্য এডভোকেট দীপংকর বড়ুয়া পিন্টু সভায় বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মানধীন বেড়ীবাঁধের কারণে কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের উত্তর রাখাইন পাড়ার প্রায় ২শ’ পরিবার তাদের স্থায়ী বসতভিটা হতে উচ্ছেদ আতংকে রয়েছেন। যেখানে ২ টি জামে মসজিদ, ৪ টি মন্দির, ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ আরো অনেক কল্যানকর প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বর্তমান এলাইনমেন্টের বেড়ীবাঁধটি একটু পশ্চিমে সরকারি খাস জায়গায় সরানো হলে উল্লেখিত প্রাচীন বসতি আর উচ্ছেদ করার প্রয়োজন হবেনা। হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের কক্সবাজার জেলা শাখার পূর্ণবার নির্বাচিত সভাপতি এডভোকেট দীপংকর বড়ুয়া পিন্টু এ এলাকাটি সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। তখন জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন এ সমস্যার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে লিখিত আবেদন করতে বলেন। তিনি জানান, আবেদন পেলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সরেজমিনে তদন্ত করে জনস্বার্থ বজায় রেখে তদন্ত প্রতিবেদন পরবর্তী ২ সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশ সহ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন। এজন্য নতুন বেড়ীবাঁধ এলাকার বাসিন্দাদের উদ্বেগের কোন কারণ নেই।

কক্সবাজার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ের শহীদ এটিএম জাফর আলম সিএসপি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাঃ শাজাহান আলি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, সিভিল সার্জন মাহবুবুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ সহ কমিটির সদস্য ও জনপ্রতিনিধি, উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।