করোনা প্রসঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে বললেন মিরাজ

প্রকাশ: ১৯ মার্চ, ২০২০ ১:০৮ : অপরাহ্ন

স্পোর্টস ডেস্ক।

করোনা ভাইরাসের কারণে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) খেলা আপাতত স্থগিত রয়েছে। ইতোমধ্যে করোনার কারণে বাংলাদেশে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ জাতীয় দলে স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ বেশ আতঙ্কিত এই করোনা ভাইরাস নিয়ে। তিনি দেশবাসীকে নিয়মিত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে এর থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করতে আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (মার্চ ১৮) মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান। তিনি জানান আল্লাহ ছাড়া এই বিপদ থেকে আর কেউ রক্ষা করতে পারবে না। তাই বেশি আল্লাহর ইবাদত করা পরামর্শ দেন।

মিরাজ বলেন, ‘কোনো মানুষ, কোনো ডাক্তার বাঁচাতে পারে না। কারণ সবকিছু আল্লাহতালা দিয়েছে, তিনিই রক্ষা করবে। এজন্য আমি বলতে চাই সবাই বেশি বেশি আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন যেন এরকম দুর্যোগ থেকে আমরা রক্ষা পাই। কারণ আমি আমার লাইফে এরকম কখনো দেখিনি যে, পৃথিবী বন্ধ হয়ে গেছে, পৃথিবীর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পৃথিবীর সব মানুষ আতঙ্কের ভেতরে আছে, এটা একটা অস্বস্তিকর। আমি বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষকে এই পরামর্শ দিতে চাই বেশি বেশি করে আল্লাহ কাছে দোয়া করুন। নিজের জন্য দোয়া করুন, পরিবারের জন্য দোয়া করুন এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য দোয়া করুন। আর বিশ্বের মানুষের জন্য দোয়া করুন।’

খেলা বন্ধের বিষয়ে মিরাজ বলেন, ‘আসলে একটা জিনিস দেখেন সবার আগে কিন্তু জীবন। জীবণের চেয়ে তো আর বড় কোনো কিছুই হতে পারে না। তারপরও আমি যেটা বলতে চাই আগে সেফটি ফার্স্ট, তারপর সবকিছু। আমরা আগে যদি বাঁচতে পারি তাহলে অবশ্যই আমরা ক্রিকেট খেলতে পারব। তারপরও ক্রিকেট বোর্ড আছে, বাংলাদেশের সরকার আছে, তারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন অবশ্যই মানুষের ভালোর জন্যই দেবেন। সবাই সেফটি থাকে সেই ডিসিশনটেই তারা দেবেন।’

জাতীয় দলের এই স্পিনার বারবারই নামাজ পড়ার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, ‘আমি সবচেয়ে বেশি যে মেসেজটা দিতে চাই তা হলো, সবসময় পাক-পবিত্র থাকাটা খুব জরুরি। সবসময় হাত ধোয়ার ভেতরে থাকাটা ভালো। যেমন ঘন্টায় ঘন্টায় বা বাসায় থাকলে বা বাইরে থেকে আসলে হাত ধোয়াটা। হাত ধোয়ার বিভিন্ন নিয়ম আছে এই নিয়মগুলো মানাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো থিওরি হল যে আপনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন তাহলে আপনার আর কিছু লাগবে না আমার মনে হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সবাই পড়বে তাহলে পাঁচ বার হাত ধোয়া হবে অটোমেটিক, তখন আল্লাহর রহমত হবে।’